মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
এক লাখ ৬৬ হাজার কর্মী নেবে ইতালি, আবেদন করবেন যেভাবে শান্তিগঞ্জে এসেড হবিগঞ্জের উদ্যোগে ১০ দিনব্যাপী কৃষি মেলা ২০২৬ শান্তিগঞ্জে যুবদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  জরুরি রক্ষণাবেক্ষণে শনিবার শান্তিগঞ্জে ২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ জগন্নাথপুরে মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে  ইউএনওর কাছে ঠিকাদারদের অভিযোগ  যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে কঠোর জবাবদিহিতার নির্দেশ জগন্নাথপুরে টেন্ডার ছাড়াই পোনামাছ অবমুক্ত: মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ! পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সকল কে সজাগ থাকতে হবে: এমপি কয়ছর আহমদ সুবিপ্রবির আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন সিএসই বিভাগ জাতিসংঘে ভাষণ/ বিশ্বশান্তি ও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

গণবিক্ষোভের মুখে চীনের সঙ্গে হংকংয়ের প্রত্যর্পণ বিলের মৃত্যু

গণবিক্ষোভের মুখে চীনের সঙ্গে হংকংয়ের প্রত্যর্পণ বিলের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  
উত্তাল গণবিক্ষোভের মুখে চীনের সঙ্গে হংকংয়ের প্রত্যর্পণ বিলের মৃত্যু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন হংকংয়ের শাসক ক্যারি ল্যাম। এ বিলটি বাতিলের দাবিতে আন্দোলনকারীরা সরকারি অফিসগুলো অবরুদ্ধ করে রাখেন। এমনকি তারা দেশটির সংসদে ঢুকে যায়। খবর রয়টার্স।
মঙ্গলবার ক্যারি ল্যাম স্বীকার করেন, এই গণবিক্ষোভ বিলটি নিয়ে তার সরকারের তৎপরতা পুরোপুরি ভেস্তে দিয়েছে।
চীনের মতো ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের দেশে প্রত্যর্পণের উদ্যোগ নেয়ায় ক্যারি ল্যামের পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা বিতর্কিত বিলটি স্থায়ীভাবে বাতিলের দাবিতে আওয়াজ তোলেন।
এর আগে গত মাসে লাখো মানুষের গণবিক্ষোভের মুখে এ বিলটির জন্য ক্ষমা চান হংকংয়ের চীনপন্থী শাসক ক্যারি ল্যাম।
বিতর্কিত অপরাধী প্রত্যর্পণ বিলটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিতেরও ঘোষণা দেন তিনি। তবে এর পরও আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন বিক্ষোভকারীরা।
এর আগে অপরাধী প্রত্যর্পণ বিলে কোনো রকমের কাটছাঁট করা হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন ক্যারি ল্যাম। তবে গণআন্দোলনের মুখে বিলটি স্থগিতের পর উল্টো জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন তিনি।
মূলত চীন ও তাইওয়ানে অপরাধী প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত প্রস্তাবিত একটি বিলের বিপক্ষে হংকংজুড়ে এই গণবিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
আন্দোলনকারীদের মূল ক্ষোভ চীনের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে। হংকংয়ের সাধারণ মানুষ মনে করছেন, বেইজিংয়ের দুর্বল আইন এবং মানবাধিকার রেকর্ডের কারণে সেখানে কাউকে ফেরত পাঠানো নিরাপদ নয়। দেশটির সাধারণ মানুষের ধারণা, বিলটি পাস হলে তা দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চীনের হস্তক্ষেপের সুযোগ বাড়িয়ে দেবে।
হংকং চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হলেও ২০৪৭ সাল অবধি অঞ্চলটির স্বায়ত্তশাসনের নিশ্চয়তা দিয়েছে দেশটি। ১৫০ বছর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনে থাকার পর লিজ চুক্তির মেয়াদ শেষে ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই অঞ্চলটি চীনের কাছে ফেরত দেয়া হয়েছিল।
হংকংয়ের জনসংখ্যা প্রায় ৭৪ লাখ হলেও ১২ জনের একটি বিশেষ কমিটি নেতা বাছাইয়ে ভোট দেয়ার সুযোগ পান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017-2026 Jagannathpurnews.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com